A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/webheart/public_html/sundayline/system/core/Exceptions.php:185)

Filename: libraries/Session.php

Line Number: 675

পদ্মা সেতু প্রকল্প দুর্নীতিতে দুই আবুল বাদ
সংবাদ-শিরোনাম:
পদ্মা সেতু প্রকল্প দুর্নীতিতে দুই আবুল বাদ

পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সাতজনকে আসামি করা হলেও বাদ দেওয়া হয়েছে বহুল আলোচিত সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীর নাম।
আজ সোমবার দুপুরে দুদকের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান আবদুল্লাহ আল জাহিদ বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন: সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের তিন কর্মকর্তা—সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল ও আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ, সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র মূল্যায়নে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব কাজী ফেরদৌস, সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ জাবের ও এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মোস্তফা।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তারা ৪ ডিসেম্বর ১০ জনকে দায়ী করে ৮৬ পৃষ্ঠার একটি খসড়া প্রতিবেদন জমা দেন। তবে কমিশন সেখান থেকে ওই সাবেক মন্ত্রীর নাম বাদ দেয়। এরপর দুদকের সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলেছে, তদন্তে যাদের নাম আসবে, সবার বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। কাউকেই বিশেষ কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। আর তদন্ত পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ হতে হবে। 
মামলার এজাহারে বলা হয়, দরপত্র প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে তত্কালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, কানাডিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিন ও অন্যান্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। এ সময় সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী যোগাযোগ স্থাপনকারীর ভূমিকা পালন করেন। তা ছাড়া রমেশ শাহর (এসএনসি-লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট) ডায়েরিতে কাজ পাওয়ার পর দরপত্র মূল্যের বিভিন্ন পার্সেন্টেজ দেওয়ার হিসাবে তাঁদের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। তবে আলোচ্য ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনে সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল হাসানের ভূমিকা রাখার বিষয়ে অপরাপর সাক্ষীদের সাক্ষ্য বা পরিপূরক সাক্ষ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
অপরাধ সংঘটনে সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরীর অপরাধ-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।

আর আসামি সাতজনের বিরুদ্ধে এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা ১৬১ ও ১৯৪৭ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অপরাধ করার অভিপ্রায়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেন, যা দণ্ডবিধির ১২০ (বি) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এজাহারে আরও বলা রয়েছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্মাণকাজে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্মাণ তদারকি পরামর্শক হিসেবে এসএনসি-লাভালিন ইন্টারন্যাশনাল কাজ পেলে ঘুষ লেনদেন সম্পন্ন হতো।


সর্বশেষ সংবাদ সমুহ: